a mobile banking service

Free Web Hosting

Free Hosting

মাইক্রোসফট অফিস দিয়েই বাংলা বানান পরীক্ষা করে নিন

বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্প এখনো আসকি (ASCII) বা বিজয় নির্ভর। ইউনিকোড জগতে অভ্র অপ্রতিদ্বন্দ্বি হলেও মুদ্রনশিল্প, অফিস আদালতের কাজে বিজয়ের মুখাপেক্ষি হতে হয়। অনলাইনে যেসব বাংলা বানান নিরীক্ষক পাওয়া যায় যেগুলোর সবগুলোই ইউনিকোড নির্ভর।
তাই অফিসের কাজে বিজয় দিয়ে টাইপ করা কোন ডকুমেন্টের বানান হয়তো আপনি চেক করতে পারছেন না।
এই সমস্যার সমাধান করতে এগিয়ে এসেছেন ডেভলোপার জাহিদুল ইসলাম রবি। তিনি তৈরী করেছেন শুদ্ধ শব্দ নামের অসাধারণ একটি অ্যাডইনস যা মাইক্রোসফট অফিসে ভালমত ব্যবহার করা যায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি Windows 7 এবং অফিস 2007 এ সফলভাবে ব্যবহার করতে পেরেছি।
এর শব্দভাণ্ডারে রয়েছে ১, ০৬, ০০০ এরও বেশি শব্দ যা সম্পূর্ণ আধুনিক বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে প্রণীত। এটিই একমাত্র কাজের অভিধান যেটিকে প্রিন্টিং বা প্রফেশনাল কাজে ব্যবহার করা সম্ভব।
টিউটোরিয়াল
1. প্রথমে মিডিয়াফায়ারের এই লিংক থেকে ‍শুদ্ধশব্দ ডাউনলোড করে নিন। সাইজ (4.31 MB)
2. আপনার পিসিতে ইন্সপল করে নিন।
3. মাইক্রোসফট অফিস দিয়ে ডকুমেন্ট ওপেন করুন।

4. Menu থেকে Add Ins এ ক্লিক করুন-
এখান থেকে Bangla Spelling এ ক্লিক করুন।

দেখুন আপনার টাইপকৃত ভুল শব্দটি মার্ক হয়ে সঠিক অনেকগুলো শব্দ সাজেস্ট করেছে!

৪ হাজার টাকার নিচে রাউটার

দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছে। বাসা কিংবা অফিসে তারহীন রাউটার ব্যবহার করে সহজেই ঝামেলামুক্ত ইন্টারনেটসেবা সংযোগ পাওয়া যায় ডেস্কটপ, ল্যাপটপ কম্পিউটারে।একসঙ্গে কয়েকটি কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ পেতে এ ধরনের রাউটার বেশ কাজের। বাজারে চার হাজার টাকার মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের তারহীন রাউটার পাওয়া যায়।প্রোলিংক
প্রোলিংকের ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজের পিআরএন২০০১ রাউটারের দাম এক হাজার ৬৫০ টাকা। দুটি এক্সটার্নাল অ্যানটেনাযুক্ত ৩০০ এমবিপিএস গতির পিআরএন ৩০০১ মডেলের দাম দুই হাজার ১০০ টাকা। ডব্লিউএনআর১০০৪ রাউটারের দাম আড়াই হাজার টাকা। বহনযোগ্য ডব্লিউএনআর১০০৪সি রাউটারের দাম তিন হাজার টাকা। ব্যাটারিচালিত ও বহনযোগ্য প্রোলিংকের ডব্লিউএনআর১০১১ ফোরজি রাউটার পাবেনতিন হাজার ৮০০ টাকায়। খোলা জায়গায় ৩০০ মিটার সীমাক্ষমতার ৩০০ এমবিপিএস গতির পিডব্লিউএইচ২০০৪ রাউটারের দাম সাড়ে তিন হাজার টাকা।

ডি-লিংক
ডি-লিংকের তারহীন এন১৫০ রাউটারের দাম তিন হাজার ৬০০ টাকা। ডিআইআর-৬০০ ওয়্যারলেস ১৫০ রাউটারের দাম দুই হাজার ৮০০ টাকা। ডিআর-৬১৫ নেটওয়ার্ক রাউটারের দাম তিন হাজার ৭০০ টাকা। আরটি-এন১২ ইজেড এনের তারহীন রাউটার দাম তিন হাজার ৭০০ টাকা। ৩০০ মেগাবাইট স্পিডের ডিআইআর-৬৫০এল ক্লাউড রাউটারের দাম তিন হাজার ৭০০ টাকা।

আসুস
১৫০ এমবিপিএসের আসুস আরটি-এন১০ইউ থ্রিজি রাউটারের দাম দুই হাজার ৬০০ টাকা। চার পোর্টের আসুস আরএক্স-৩০৪১ ব্রডব্যান্ড রাউটারের দাম তিন হাজার ৯০০ টাকা।

টিপি-লিংকচার হাজার টাকার নিচে টিপি-লিংকের রাউটার আছে বাজারে। ১৫০ এমবিপিএস গতির টিএল-ডব্লিউআর৭৪০এন মডেলের রাউটারের দাম দুই হাজার ৪০০ টাকা। এতে রয়েছে একটি ফিক্সড অ্যানটেনাসহ চারটি ল্যানপোর্ট, একটি ওয়ান পোর্ট। দুটি অ্যানটেনাসহ ৩০০ এমবিপিএস গতির টিএল-ডব্লিউআর৮৪১ রাউটারের দাম তিন হাজার টাকা। তৃতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তিনির্ভর ৩০০ এমবিপিএস গতির টিএল-এমআর৩৪২০ রাউটারের দাম পড়ে তিন হাজার টাকা। থ্রিজি ও টুজি মডেম দিয়ে এই রাউটার ব্যবহার করা যায়। ইন্টারনাল অ্যানটেনাযুক্ত ১৫০ মেগাবাইট স্পিডের ইউএসবি পোর্টযুক্ত টিএল-এমআর৩০২০ এবং সহজে বহনযোগ্য ব্যাটারিচালিত টিএল-এমআর৩০৪০ মডেলের তারহীন থ্রিজি রাউটারের দাম যথাক্রমে দুই হাজার ৭০০ টাকা ও সাড়ে তিন হাজার টাকা। টিএল-এমআর৩২২০ রাউটারের দাম দুই হাজার ৪০০ টাকা। টিএল-আর৪৬০ সোহো ব্রডব্যান্ডের ৪ পোর্টের রাউটারের দাম তিন হাজার ৪০০ টাকা।

বেলকিনবেলকিনের এফ৯কে১০০৯জেডবি তারহীন রাউটারের দাম তিন হাজার টাকা। এন১৫০ রাউটার এফ৭ডি১৩০১জেডবির দাম সাড়ে তিন হাজার টাকা। এফ৫ডি৭২৩৪একে৪-এইচ মডেলের দাম তিন হাজার ৬৫০ টাকা। এ ছাড়া বেলকিনের এ৩০০ ও এ১৫০ মডেলের দুটো তারহীন রাউটার পাওয়া যায় বাজারে। এই রাউটারগুলোর মাধ্যমে ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ থেকে পাঁচ গিগাহার্টজ কম্পাঙ্কে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। রাউটারগুলো ১৫০ থেকে ৪৫০ এমবিপিএস গতিতে কাজ করে। এই রাউটারগুলোয় বেশ কয়েকটি ইউএসবি পোর্ট, চারটি গিগাবিট ইথারনেট পোর্ট রয়েছে।

আরও আছেনেটগিয়ার ডব্লিউএনআর৫০০ মডেলের ১৫০ এমবিপিএস গতির রাউটারের দাম আড়াই হাজার টাকা। নেটগিয়ারের ডব্লিউএনআর-১০০০ তারহীন রাউটারের দাম সাড়ে তিন হাজার টাকা।এমইএফআই রাউটার তিন হাজার ২০০ টাকা। মাইক্রোনেট এসপি৮৮৮ডি কেব্ল রাউটারের দাম তিন হাজার ৬০০ টাকা। সি-নেটের ডব্লিউএনআইআর৩৩০০ তারহীন এন রাউটারের দাম তিন হাজার ৭০০ টাকা। জাস্টেকের জেভিআর ৪১০০ডব্লিউএন মডেলের দাম দুই হাজার ১০০ টাকা। টেনডা ডব্লিউ৩১১আর রাউটারের দাম এক হাজার ৪৫০ টাকা, থ্রিজি ১৫০এম রাউটারের দাম দুই হাজার ৩০০ টাকা। গেটনেটের জিআর-৫৩৪ডব্লিউ ব্রডব্যান্ড রাউটারের দাম এক হাজার ৭৫০ টাকা। 
প্রাপ্তিস্থান
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান সেন্টার; চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, জিইসি; খুলনার খান-এ-সবুর রোড এবং সিলেটের বন্দরবাজার এলাকার বিভিন্ন কম্পিউটার বিক্রয়কেন্দ্র ও পরিবেশকের কাছ থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় রাউটার


দেয়ালের ওপাশের ছবি উঠছে মুঠোফোনে!

দেয়ালের ওপাশে বা আড়ালে কি ঘটছে তা দেখার জন্য মুঠোফোনই যথেষ্ট হবে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা সম্প্রতি জানিয়েছেন, দেয়ালের ওপাশে কী ঘটছে তা দেখার জন্য সাই-ফাই চলচ্চিত্রের সুপারম্যান হওয়ার আর প্রয়োজন পড়বে না। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট পিসি ওয়ার্ল্ডের সাম্প্রতিক এক খবরে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোন ব্যবহার করেই সুপারম্যানের মতো এক্স-রে রশ্মির দৃষ্টি দিয়ে দেয়ালের ওপাশে কী আছে, তা দেখা সম্ভব হবে, ছবি তোলা যাবে বা ভিডিও ধারণ করা যাবে!
ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা সম্প্রতি পুরু দেয়ালের ওপাশের তথ্য জানার জন্য একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন যাতে ওয়াই-ফাইয়ের সাহায্য নিয়েছেন তাঁরা। দেয়ালের ওপাশের চলমান কোনো বস্তুকে শনাক্ত করতে ওয়াই-ফাই ব্যবহারে তৈরি এ পদ্ধতিটির নাম দিয়েছেন ‘ওয়াই-ভাই’।
গবেষক ডিনা কাটাবি ‘ওয়াই-ভাই’ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, এ পদ্ধতি স্মার্টফোনে ব্যবহার করা যাবে। এটি বিশেষ ধরনের ওয়্যারলেস সিস্টেম যাতে দেয়ালের ওপাশের কোনো চলমান বস্তুকেও শনাক্ত করা যায়। এ প্রক্রিয়ায় ওয়াই-ফাই বেতার তরঙ্গ পরিমাপ করে দেয়ালের ওপাশের কোনো বস্তুর কম রেজুলেশনে ছবি তোলা সম্ভব।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, ওয়াই-ভাই পদ্ধতিতে খুব কম রেজুলেশনে তথ্য ধারণ করা হয় বলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের আশঙ্কা কম। তবে এর উন্নয়নকাজ অব্যহত রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আগেভাগেই নীতিমালা তৈরি করা প্রয়োজন।
এর আগে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা মোবাইল ফোনের সাহায্যে দেয়াল ভেদ করে ছবি তোলার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সফলতা পাওয়ার দাবি করেছিলেন। ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম ও  কনজুমার গ্রেড মাইক্রোচিপ উদ্ভাবনের কথা জানিয়েছিলেন গবেষকেরা। ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম প্রযুক্তিতে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশ্লেষণ করে টেরাহার্টজ ব্যান্ড তৈরি করেন গবেষকেরা। টেরাহার্টজ ব্যান্ড মাইক্রোওয়েভ ও ইনফ্রারেড রশ্মির মাঝামাঝি একটা তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, যা এক্স-রে রশ্মির মতো কাজ করে এবং বস্তু ভেদ করতে পারে। টেরাহার্টজ তরঙ্গদৈর্ঘ্য যখন মোবাইল ফোনে এসে পৌঁছায়, তখন কমপ্লিমেন্টারি মেটাল-অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর (সিএমওএস) সেন্সর সে সংকেত ধরতে পারে এবং ছবি তুলতে পারে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সিএমওএস সেন্সর সহজলভ্য। এই সেন্সর এখন ছোটো আকারের অনেক ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। মোবাইলে সিএমওএস সেন্সর ব্যবহার করায় খরচও কমে যাবে।

সিডি ডিভিডি আর ব্লু-রে

রযুক্তির দুনিয়াটা এমনই যে আজ যা নতুন কালই তা পুরোনো। প্রযুক্তির কল্যাণেই একের পর এক এই পরিবর্তন। তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম হিসেবে একসময় ফ্লপি ডিস্কের খুব প্রচলন ছিল। এখন ফ্লপির যুগ শেষ। সিডির পর এল ডিভিডি। এখন এগিয়ে যাচ্ছে ব্লু-রে ডিস্ক। কারণএকটিই কম জায়গায় বেশি তথ্য বা ডেটা ধারণ।প্রযুক্তির ছোঁয়ায় একদিন এসবও হারিয়ে যাবে, নতুন কিছু দিয়ে কাজ করবে মানুষ। হারিয়ে যাওয়ার আগেই তথ্য সংরক্ষণে ডিস্ক প্রযুক্তির বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

সিডিএকসময় গান শোনার প্রধান মাধ্যম ছিল গ্রামোফোন বা কলের গান। একদিন দেখা গেল, গবেষক আর প্রকৌশলীদের পাল্লায় পড়ে সেই গোল থালা বা চাকতির আকার অনেক ছোট হয়ে এসেছে। পরিবর্তিত হয়ে যার নাম হয়েছে সিডি বা কমপ্যাক্ট ডিস্ক। সিডি হচ্ছে লেজার-ডিস্ক প্রযুক্তির একটি উদ্ভাবন। এটি অপটিক্যাল ডিস্ক, যা ডিজিটাল তথ্য যেমন লেখা, ছবি, ভিডিও, গানসহ বিভিন্ন রকমের ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহূত হয়ে থাকে। প্রথমদিকে এটি, বিশেষ করে শব্দ ধারণ করতে ব্যবহার করা হতো। সিডির তথ্য পাঠ করার জন্য ইনফ্রারেড লেজার ব্যবহূত হয়, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৭৮০ ন্যানোমিটার। সিডির এখন অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও অনেক দেশেই জনপ্রিয়তার তালিকায় এখনো নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে এই বহনযোগ্য মাধ্যমটি। সিডি প্রথম বাজারে আসে সনি ও ফিলিপসের যৌথ প্রচেষ্টায়, ১৯৭৯ সালের মার্চ মাসে। একটি সিডি ৭০০ মেগাবাইট ডেটা ধারণ করতে পারে, যা ৮০ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। এটি প্রি-রেকর্ডেড, রেকর্ডেবল ও রিরাইটেবল—তিন ধরনের হয়ে থাকে। সিডি সাধারণত পলিকার্বনেট প্লাস্টিকের তৈরি এবং প্রায় ১৫ থেকে ২০ গ্রাম ওজনের হয়ে থাকে। সিডি আকারে প্রথমবারের মতো অডিও অ্যালবামটি বাজারে এসেছিল, সেটি ছিল বিখ্যাত ব্যান্ড দল অ্যাবার অ্যালবাম দ্য ভিজিটরস।

ডিভিডি
তথ্য সংরক্ষণের আরেকটি জনপ্রিয় ফরম্যাট হলো ডিভিডি।
সনি ও ফিলিপসের সঙ্গে জাপানের তোশিবা যুক্ত হয়ে কমপ্যাক্ট ডিস্কের আধুনিক সংস্করণ ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক বা ডিভিডি প্রযুক্তির উন্মেষ ঘটায় নব্বইয়ের দশকের শুরুতে। আধুনিক ডিজিটাল যুগের অনেক বেশি তথ্য রাখার চাহিদা থেকে এর সৃষ্টি। ডিভিডি প্রযুক্তি বাজারে আসার পর ভিডিওচিত্র সংরক্ষণ ও ভিডিও ছবি দেখার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে। ভিডিও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এর বহুবিধ ব্যবহারের জন্য ডিভিডিকে অনেকে ডিজিটাল ভার্সেটাইল ডিস্ক হিসেবেও অভিহিত করে থাকেন। একক স্তর বা লেয়ার-বিশিষ্ট এই ডিস্কের ধারণক্ষমতা সাধারণত ৪ দশমিক ৭ গিগাবাইট (১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট)। দ্বৈত স্তরের ক্ষেত্রে এই ধারণক্ষমতা হয় ৮ দশমিক ৫৪ গিগাবাইট। একটি ৪ দশমিক ৭ গিগাবাইটের ডিভিডিতে একটি সিডির প্রায় ছয় গুণ বেশি তথ্য রাখা যায়। ডিভিডির লেজার হিসেবে ৬৫০ ন্যানোমিটারের লাল বর্ণের তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে চলচ্চিত্র দেখার জন্য ডিভিডির ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। ডিভিডি উপভোগ করার জন্য দরকার ৭২০ x ৫৭৬ রেজ্যুলেশনের টিভি বা পর্দা।

ব্লু-রে ডিস্ক
ব্লু-রে ডিস্ক শুধু বিডি বা ব্লু-রে নামেও পরিচিত। ডিভিডি বা সিডির মতো ব্লু-রে ডিস্কের রয়েছে একই মানের আকার। এর প্রধান ব্যবহার হচ্ছে হাইডেফিনিশন ভিডিও, প্লেস্টেশন-৩ ভিডিও গেম এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণে। প্রতিটি একক লেয়ার-বিশিষ্ট ব্লু-রে ডিস্ক ২৫ গিগাবাইট পর্যন্ত তথ্য ধারণ করতে পারে। অন্যদিকে, দ্বৈত লেয়ারের ক্ষেত্রে এই ধারণক্ষমতা হয় ৫০ গিগাবাইট। ব্লু-রে ডিস্ক নামটি এসেছে এই ডিস্কে ব্যবহূত নীল-বেগুনি লেজারের (ব্লু-ভায়োলেট লেজার) নামানুসারে। ব্লু-রে ডিস্কের তথ্য পাঠ করতে এই লেজার ব্যবহূত হয়। ব্লু-রে ডিস্কে ব্যবহূত লেজারের তরঙ্গদৈর্ঘ্য তুলনামূলক ছোট, প্রায় ৪০৫ ন্যানোমিটার। এ কারণে প্রচলিত ডিভিডির থেকে এটি প্রায় ১০ গুণ বেশি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। তবে ব্লু-রের জন্য দরকার ন্যূনতম ২৪ ইঞ্চি মনিটর অথবা টিভি, যা সাপোর্ট করে সম্পূর্ণ এইচডি কনটেন্ট। বর্তমানে বিশ্বের ১৮০টিরও বেশি শীর্ষস্থানীয় কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স, পার্সোনাল কম্পিউটার, রেকর্ডিং মিডিয়া, ভিডিও গেম, মিউজিক কোম্পানিসহ প্রধান প্রধান শীর্ষস্থানীয় মুভি স্টুডিওগুলোও এই ফরম্যাটকে সমর্থন করছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আটটি মুভি স্টুডিওর মধ্যে সাতটি মুভি স্টুডিও যেমন ডিজনি, ফক্স, ওয়ার্নার, প্যারামাউন্ট, সনি, লায়নগেট ও এমজিএম তাদের সাম্প্রতিক মুভি ব্লু-রে ফরম্যাটে প্রকাশ করছে।

আসছে দ্রুতগতির ইউএসবি ৩.১

পরবর্তী প্রজন্মের ইউনিভার্সাল সিরিয়াল বাস বা ইউএসবি যন্ত্রগুলোর গতি হবে সেকেন্ডে ১০ গিগাবাইট। ইউএসবি উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কানেকটিভিটি বা সংযোগ মানদণ্ডের পরবর্তী প্রজন্মকে ৩.১ নাম দিয়েছেন তাঁরা। এরমধ্যেই এ প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন তাঁরা। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।
ইউএসবি অর্গানাইজেশনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের অরিগনে ইউএসবি ৩.১ ডেভেলপার্স ডে আয়োজন করেছে ইউএসবি প্রচারণা সংস্থা। এ সময় নতুন প্রযুক্তিটির বিস্তারিত জানাবেন ইউএসবি সংস্থার গবেষকেরা। ইউএসবি ইমপ্লিমেন্টেশন নামের এ ফোরামটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের ৮০০ টি প্রতিষ্ঠান এর সদস্য।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রচলিত ইউএসবি ৩.০ মানদণ্ডের চেয়ে ৩.১ প্রযুক্তিতে এ গতি দ্বিগুণ বেশি হবে। গতি বাড়ার পাশাপাশি ইউএসবি ৩.১-এ নতুন  বৈশিষ্ট্যও যোগ করা হচ্ছে। এ প্রযুক্তি-সংবলিত তারগুলোর মধ্য দিয়ে এখন থেকে ১০০ ওয়াট বিদ্যুত্ সঞ্চালন করা সম্ভব হবে। তাতে টিভি কিংবা ডেস্কটপ পিসির মতো উচ্চ ক্ষমতার বিদ্যুত্ ব্যবহারকারী যন্ত্রে সংযুক্ত শনাক্ত করার উপযোগী ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে ল্যাপটপও চার্জ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ৩ দশমিক ৫ ইঞ্চির এক্সটার্নাল হার্ডডিস্কের জন্য বাড়তি বিদ্যুত্ সংযোগের প্রয়োজনীয়তাও ফুরাবে, তবে প্রচলিত ইউএসবি ৩.০ যন্ত্রগুলোকে ৩.১ এ হালনাগাদ করার সুযোগ থাকছে না।
গবেষকেরা আশা করছেন, ২০১৫ সাল নাগাদ ইউএসবি ৩.১ সহজলভ্য হবে ।
এদিকে, থান্ডারবোল্ট প্রযুক্তির নতুন সংস্করণ আনতে পারে ইনটেল যা ইউএসবির চেয়ে দ্রুতগতিতে তথ্য স্থানান্তর সুবিধা দিতে সক্ষম হবে। গবেষকেরা আশা করছেন, থান্ডারবোল্টের কাছাকাছি পর্যায়ে যেতে পারবে ইউএসবি ৩.১।

আসছে স্যামসাংয়ের স্মার্টওয়াচ

পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি পণ্যের প্রতি সার্চ ইঞ্জিন গুগল, সনির পর এবার আগ্রহী হয়ে উঠেছে স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। গুগল গ্লাস, সনির স্মার্টওয়াচের পাশাপাশি অ্যাপল ও স্যামসাং পরিধানযোগ্য পণ্য বাজারে আনবে, এমন আলোচনা অনেক দিন ধরেই চলছিল। এবার স্যামসাং নিজেদের স্মার্টওয়াচ আনার ঘোষণা দেওয়ায় সে খবরের সত্যতা মিলল।
সম্প্রতি গ্যালাক্সি ক্লাব নামের একটি ওয়েবসাইটে স্মার্টওয়াচের ট্রেডমার্ক-সংক্রান্ত একটি লেখা দেখে এ বিষয়ে খবর প্রকাশিত হয়। এ তথ্য অনুযায়ী স্যামসাংয়ের স্মার্টওয়াচের নাম হতে পারে গ্যালাক্সি গিয়ার। তবে এটিই যে স্মার্টওয়াচ হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গ্যালাক্সি ক্লাব ওয়েবসাইটটি বলছে, এ নামে স্যামসাংয়ের অন্য কোনো যন্ত্রও বাজারে আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে স্মার্টওয়াচ।
এর আগে গত মার্চেই স্যামসাং নিজেদের তৈরি পরিধানযোগ্য স্মার্টওয়াচ প্রস্তুত করার চেষ্টার কথা জানিয়েছিল। যন্ত্রটি গুগল অ্যান্ড্রয়েড সম্পূর্ণভাবে চালানো যাবে। হার্ডওয়্যার হিসেবে এতে স্যামসাং তাদের ফ্লেক্সিবেল অ্যামোলেড পর্দা প্রযুক্তি যুক্ত করতে পারে বলে জানা গেছে। ফলে এটি হবে একটি পরিধানযোগ্য যন্ত্র, যা একই সঙ্গে বড় পর্দার সুবিধা দিতে পারবে। বরাবরের মতো এ বিষয়েও স্যামসাং কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানায়নি। স্যামসাং এমন যন্ত্র বাজারে আনলে অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেট ব্যবহারকারীরাই বেশি সুবিধা পাবে।
—সিনেট অবলম্বনে কাজী আলম

অ্যাপস কেনা যাবে বাংলাদেশি টাকায়

এবার বাংলাদেশি মুদ্রায় মোবাইল ফোনের অ্যাপস কেনা যাবে। এথিকস অ্যাডভান্সড টেকনোলজি লিমিটেডের (ইএটিএল) অ্যাপস স্টোর থেকে গ্রামীণফোনের গ্রাহকেরা অ্যাপস কিনতে পারবেন। এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার গ্রামীণফোন কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ বলেন, ‘বাংলাদেশে মোবাইল অ্যাপসের বিকাশ ও বহুল ব্যবহার নিশ্চিত করতে বাংলা ভাষায় অ্যাপস তৈরি বাড়াতে হবে।’
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিবেক সুদ বলেন, ‘সহজে অ্যাপস কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য এটি নতুন এক উদ্যোগ। আশা করছি তৃতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তি (থ্রিজি) ব্যবহারের মাধ্যমে অ্যাপসগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নতুন অভিজ্ঞতা দেবে।’
ইএটিএলের প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দেশি মুদ্রায় অ্যাপস কেনার এমন উদ্যোগ এই প্রথম বাংলাদেশে চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে অ্যাপস স্টোর থেকে গ্রাহকেরা বাংলা অ্যাপস কিনতে পারবেন।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, গ্রামীণফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা অ্যালেন বোনকেসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অ্যাপসের নানা বিষয় ভিডিও উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
ইএটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান প্রথম আলোকে জানান, নতুন এই উদ্যোগের ফলে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা ইএটিএল অ্যাপস স্টোর (www.eatlapps.com) থেকে গ্রামীণফোনের সংযোগ ব্যবহার করে অ্যাপস কিনতে পারবেন।
শুরুতেই ৪০ টাকা সমমূল্যের বিভিন্ন গেমস নিজের ব্যালেন্সে থাকা টাকা দিয়েই কেনা যাবে। পরবর্তী সময়ে অন্যান্য অ্যাপস কিনতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ সুবিধার মাধ্যমে দেশিঅ্যাপস নির্মাতারাও লাভবান হবেন বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা।

উইন্ডোজ আটে হাইবারনেশন চালু

মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেম চাইলে সহজেই হাইবারনেট অবস্থায় রাখা যায়। এ জন্য কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে পাওয়ার অপশন বা বাঁ দিকে নিচের কোনায় ডান ক্লিক করে পাওয়ার অপশন বা রান কমান্ডে powercfg.cpl লিখে এন্টার করুন। আবার সার্চবারের সার্চ অপশনে powercfg.cpl লিখলে যে প্রোগ্রাম আসবে, সেটিতেও ক্লিক করতে পারেন।পাওয়ার অপশনে গিয়ে বাঁ দিক থেকে ‘Choose what the power buttons do’ অপশনে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর ওপরের নীল লেখা ‘Change the settings that are currently unavailable’-এ ক্লিক করুন। এখন দেখবেন, নিচের ঝাপসা অংশটুকু স্বাভাবিক হয়ে গেছে। নিচের হাইবারনেট বক্সে ক্লিক করে সেভ চেঞ্জেস বোতামে ক্লিক করুন। এখন পাওয়ার মেনুতে ক্লিক করলে আপনি হাইবারনেট অপশন দেখতে পারবেন।