a mobile banking service

Free Web Hosting

Free Hosting

ছয় ইঞ্চির আইফ্যাবলেট আনছে অ্যাপল!

ট্যাবলেট কম্পিউটারের বেশ কিছু নতুন ফিচার যুক্ত করে ছয় ইঞ্চি মাপের একটি নতুন আইফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে অ্যাপল। বড় মাপের হওয়ায় এটি হবে ফ্যাবলেট। প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে একে ‘আইফ্যাবলেট’ নামেই ডাকা হচ্ছে।
‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক খবরে বলা হয়েছে, আইফ্যাবলেট বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে অ্যাপল। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়ের ৬ দশমিক ৩ ইঞ্চি মাপের ফ্যাবলেট গ্যালাক্সি মেগার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে শিগগিরই বড় মাপের এই আইফ্যাবলেটের ঘোষণা দিতে পারে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে বাজারবিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, ১০ সেপ্টেম্বর নতুন আইফোনের ঘোষণা দিতে জমকালো এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে অ্যাপল। এ অনুষ্ঠান থেকে বিভিন্ন মাপের আইফোন বাজারে আনার ঘোষণা দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।গবেষকেরা ধারণা করছেন, প্লাস্টিকের
কাঠামোর তৈরি সাশ্রয়ী দামের আইফোনের ঘোষণাও আসতে পারে এ অনুষ্ঠান থেকেই।

লুমিয়ায় অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে সংশয়!

লুমিয়া স্মার্টফোন সিরিজে একটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর স্মার্টফোন আনার পরিকল্পনা ছিল নকিয়ার, এ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করেছিল ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি। তবে, মাইক্রোসফট সম্প্রতি নকিয়া কিনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার নকিয়ার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বাজারে আসবে কিনা তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
২০১৪ সালে নকিয়া অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা করেছিল। মাইক্রোসফটের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব না হলে নকিয়া আগামী বছর অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বাজারে আনার সব প্রস্তুতি সেরেরেখেছিল। এক খবরে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।
নিউইয়র্ক টাইমসের বিটস ব্লগে প্রকাশিত একটি ব্লগ পোস্টে বলা হয়েছে, ২০১২ থেকে ২০১৩ সালের প্রথমদিকে লুমিয়া স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম পরীক্ষা করে দেখছিলেন নকিয়ার কর্মকর্তারা। এটি ছিল নকিয়া ‘প্ল্যান বি’। ‘প্ল্যান এ’ ছিল মাইক্রোসফটের সঙ্গে চুক্তিতে যাওয়া।এদিকে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নকিয়া আশা সিরিজে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা করেছিল।
২০১১ সালে নকিয়া তাদের জনপ্রিয় সিমবিয়ান অ
স্মার্টফোন বাজারে নকিয়ার সাম্প্রতিক লোকসান ও তলানিতে পড়ে যাওয়ার পর উত্তরণের পথ হিসেবে অ্যান্ড্রয়েডকে বেছে নিতে চেয়েছিল।
মাইক্রোসফটের অধীনে যাওয়ার পর নকিয়ার ভবিষ্যত্ কী হবে এবং অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর প্ল্যাটফর্মে ফিরে যাওয়া সম্ভব কিনা সে বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি নন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
পারেটিং সিস্টেম প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ নির্ভর স্মার্টফোন তৈরি শুরু করে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা নকিয়ার এই পদক্ষেপকে নানা ভাবে সমালোচনা করেছিলেন। নকিয়া অ্যান্ড্রয়েডে গেলে স্মার্টফোনের বাজারে শীর্ষস্থানে যেতে পারতো বলেও মনে করেন অনেক প্রযুক্তি বিশ্লেষক।