a mobile banking service

Free Web Hosting

Free Hosting

কথা বলুন বিনা মূল্যে

হাল আমলে অনেকের হাতেই দেখা যায় স্মার্টফোন। ইন্টারনেট আর স্মার্টফোন থাকলে পুরো বিশ্বই হাতের মুঠোয় চলে আসে মুহূর্তেই। শুধু কথা বলা আর এসএমএস পাঠানোর বাইরেও যে অনেক কিছু করা যায়, হাতের ফোনটি দিয়ে সেটি এখন প্রমাণিত। আর নানা ধরনের কাজকে সহজ করতে রয়েছে লাখো অ্যাপ্লিকেশনস বা অ্যাপস।
মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সাধারণত যে কাজটি মূলত করা হয় সেটি হচ্ছে কথা বলা। এ কাজটি সাধারণত করা হয় নির্দিষ্ট মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। অ্যাপ ব্যবহার করে কথা বলা আর এসএমএস আদান-প্রদানের কাজটি চাইলে বিনা মূল্যে করা যায়।অর্থাৎ ইন্টারনেটে যুক্ত স্মার্টফোন থেকে কথা বলা আর এসএমএস করা যাবে, সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে। এমন সুবিধা নিয়ে রয়েছে ভাইবার নামের একটি অ্যাপ।
এটি প্রায় সব ধরনের স্মার্টফোনেই ব্যবহার করা যায়। ভাইবার মিডিয়ার তৈরি ভাইবার অ্যাপ উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস, অ্যান্ড্রয়েড, ব্ল্যাকবেরি, ওএস, আইওএস, সিরিজ ৪০, সিমবিয়ান, বাডা এবং উইন্ডোজ ফোনে ব্যবহার করা যায়। বিনা মূল্যে নিজের অ্যান্ড্রয়েড চালিত ফোনের প্লেস্টোর (http://goo.gl/x2eX0Y) থেকে, আইওএসের আইটিউনস (http://goo.gl/ZH5dhT) থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিতে হবে অ্যাপসটি। এ ছাড়া উইন্ডোজ ফোনের জন্য ভাইবার নামাতে পারেন www.viber.com/ products/windows ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। নিজের স্মার্টফোনে ইতিমধ্যে থাকা নম্বর তালিকায় যারা ভাইবার ব্যবহারকারী, তাদের নামের তালিকা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ভাইবারে যুক্ত হয়ে যাবে। আর ভাইবারে যুক্ত হলে নিজের নম্বর তালিকায় থাকা অন্য ভাইবার ব্যবহারকারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই পেয়ে যাবে নোটিফিকেশন। এ ছাড়া আপনার নম্বর তালিকায় যদি কেউ ভাইবারে যুক্ত হয়, আপনিও পেয়ে যাবেন নোটিফিকেশন আর ওই ব্যক্তির ভাইবার আইডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ভাইবার নম্বর তালিকায় যুক্ত হয়ে যাবে। চাইলে নিজের ছবি যোগ করা ছাড়াও ভাইবারের প্রোফাইলে নিজের কিছু তথ্য যোগ করতে পারেন। এতে করে অন্যরা আপনাকে খুঁজে পাবে সহজে।হয়তো দেখলেন আপনার নম্বর তালিকায় থাকা অনেকেই ভাইবার সম্পর্কে জানে না কিংবা ব্যবহার করছে না, চাইলে তাদেরও সহজে একটি এসএমএস পাঠিয়ে দিতে পারেন। সেটিংসে নিয়ে একটি স্বয়ংক্রিয় বার্তা তৈরি করা আছে যা শুধু আপনি পছন্দের ব্যক্তিদের পাঠিয়ে দিলেই হবে। এ ছাড়া আপনার ফেসবুক, টুইটার অ্যাকাউন্টে থাকা অন্যদেরও একই বার্তার মাধ্যমে ভাইবারে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। করতে পারেন ই-মেইলও। ভাইবার ব্যবহারকারীদের আপনার প্রিয় অনেককে একসঙ্গে চাইলে গ্রুপ এসএমএসও পাঠাতে পারবেন।
২০১০ সালের ২ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ভাইবার। আর চলতি বছরের ৭ মে ভাইবার ২০ কোটি বার ডাউনলোড হওয়ার মাইলফলক অর্জন করে।
ভাইবারে সবচেয়ে কাজের যে বিষয়টি তা হলো, এতে নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে যে কথা বলা যাবে কিংবা এসএমএস পাঠানো যাবে তা কিন্তু নয়। সারা বিশ্বে থাকা যেকোনো ভাইবার ব্যবহারকারীকেই যেমন বিনা মূল্যে ফোন করা যাবে, তেমনি পাঠানো যাবে এসএমএসও। বর্তমানে ৩০টি ভাষায় ভাইবার ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। মোবাইলের ইন্টারনেটে পাশাপাশি চাইলে তারহীন ওয়াই-ফাই এবং থ্রিজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও উন্নত কথা বলার সুবিধা পাওয়া যায় ভাইবারে। এতে ইন্টারনেটের গতিও যে অনেক বেশি লাগে তা নয়, বরং নির্দিষ্ট ইন্টারনেট গতি থাকলেই দারুণভাবে কথা বলা যায় ভাইবার ব্যবহারের মাধ্যমে। বিনা মূল্যে কথা বলা, এসএমএস আদান-প্রদান, ছবিযুক্ত এসএমএস আদান-প্রদান, লোকেশন শেয়ার এসব সুবিধার ভাইবারে যুক্ত হতে কোনো নিবন্ধনের প্রয়োজন হয় না। ভাইবার ইনস্টল করার পর নিজের মোবাইল ফোনে ভাইবার একটি এসএমএস পাঠায়। ওই নম্বরটি সহজ নিবন্ধনের জন্য ভাইবারে লিখে দিলেই কাজ শেষ। বিস্তারিত: www.viber.com

অ্যান্ড্রোয়েডে ফাইল বিনিময়

অ্যান্ড্রোয়েড চালিত স্মার্টফোনের তথ্য, ফাইল ইত্যাদি কম্পিউটার থেকে নিতে বা ফোনে রাখতে মূলত কেব্ল সংযোগ ব্যবহার করতে হয়। ফোনের কেব্ল সঙ্গে না থাকলেও আপনার স্মার্টফোনের তথ্য, ছবি, ফাইল ল্যাপটপ কম্পিউটারে রাখতে পারবেন ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। এ জন্য ওয়াইফাই ফাইল ট্রান্সফার নামের অ্যাপস http://goo.gl/b8ZqKL ঠিকানা থেকে নামিয়ে ফোনে ইনস্টল করুন। আপনার ল্যাপটপ কম্পিউটারে এবং ফোনের ওয়াইফাই সেবা চালু করে নিয়ে অ্যাপসের Start বোতাম চাপুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে ওয়াইফাই অ্যাকসেসের জন্য একটি আইপি ঠিকানা জেনারেট হবে এবং এখানে বলে দেওয়া হবে Enter this URL in your computers browsers এবং ব্যবহারযোগ্য আইপি ঠিকানা উল্লেখ করা থাকবে। URL বা আইপি ঠিকানা কম্পিউটারের সঙ্গে লোকাল এরিয়া সংযোগ স্থাপনের একটি রাস্তা তৈরি করে থাকে। এখানে পাওয়া আইপি ঠিকানাটি (http://192.168.178.49:1234) হুবহু গুগল ক্রোম বা অন্য যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে লিখে এন্টার চাপুন। ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হয়ে যাবে এবং সম্পন্ন হলে ফোনের অ্যাপসে The server will run in the background…until press stop বার্তার মাধ্যমে আপনাকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। এবার ল্যাপটপের ব্রাউজারে ফোনের এসডি কার্ডের সব তথ্য দেখতে পারবেন এবং প্রয়োজনে সেখান থেকে যেকোনো কিছু নিতেও পারবেন। ফাইল কম্পিউটারে নিতে চাইলে সেটি বাঁয়ের টিক চিহ্ন থেকে নির্বাচন করে Download চাপুন। কোনো ফাইল ফোনে রাখতে পর্দার বাঁ পাশের নেভিগেটর থেকে তা দেখে নিয়ে Select Files-এ ক্লিক করলে নতুন ডায়ালগ বক্স চালু হবে এবং যে যে ফাইল দরকার তা নির্বাচন করে Start Upload-এ ক্লিক করলে সেটি ফোনে সংরক্ষণ হবে।
—মো. রাকিবুল হাসান

ফায়ারফক্সের মাস্টার পাসওয়ার্ড

অনলাইনে যেকোনো সেবা পেতে নির্ধারিত ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ডকে ওয়েবসাইট দেখার জনপ্রিয় সফটওয়্যার (ব্রাউজার) মজিলা ফায়ারফক্সে সংরক্ষণ করে রাখা যায়। এতে আপনার ব্যবহার করা ই-মেইল বা ফেসবুক প্রতিবার আলাদাভাবে লগ-ইন না করেই শুধু একবার ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে প্রয়োজনে সেটিকে কাজে লাগানো যাবে। কিন্তু এতে কি নিরাপত্তা থাকছে?
যে কেউ চাইলেই সেই সাইটে ঢুকে আপনার সংবেদনশীল তথ্যে হানা দিতে পারে। আপনার কম্পিউটার অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা থাকলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা যাবে মজিলা ফায়ারফক্সের মাস্টার পাসওয়ার্ড-সুবিধা ব্যবহার করে। এটি করতে প্রথমে ব্রাউজার থেকে ই-মেইলে ঢুকুন।এবার বাঁ দিকে ওপরে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করার বার্তা দেখালে Remember Password চেপে সেটি সংরক্ষণ করে নিন। মাস্টার পাসওয়ার্ড নির্ধারণ করতে Option থেকে Tools-এ গিয়ে Security ট্যাবে ক্লিক করুন। তারপর Use Master password-এ টিকচিহ্ন দিলে Change Master Password ডায়ালগ বক্স চালু হবে। এখানে Enter New ও Re-enter Password ঘরে দুবার পাসওয়ার্ড লিখে OK করুন।
পাসওয়ার্ড কতটা মজবুত হলো, সেটি এখানের Password Quality Meter পরিমাপ করে দেবে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের জন্য প্রয়োজনে বিশেষ চিহ্ন (! # $ % & *) যোগ করে নিতে পারেন। এখন নতুন যে কেউ সংরক্ষিত থাকা ওয়েবপেইজে ঢুকতে চাইলে তাঁকে অবশ্যই আগে মাস্টার পাসওয়ার্ড দিয়ে তারপর সেই সাইট দেখতে হবে, নইলে তিনি সেটি দেখতে পারবেন না। এখন প্রতিবার নতুন লগ-ইন তথ্য সংরক্ষণ করতে চাইলে আগে মাস্টার পাসওয়ার্ড দিয়ে তারপর সেটি সংরক্ষণ করতে হবে।
—মো. রাকিবুল হাসান

বাতিল করুন পাঠানো ই-মেইল

জরুরি কোনো ই-মেইল পাঠানোর পর মনে হলো, কিছু লিখতে ভুলে গেছেন বা যাকে পাঠানোর কথা, তাকে না পাঠিয়ে অন্যকে পাঠিয়েছেন। এমন সমস্যায় পড়লে গুগলের জিমেইলের আনডু সেন্ট ল্যাব আপনাকে বার্তা পাঠানোর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সেটিকে প্রত্যাহার করে সংশোধনী এনে আবার পাঠানোর সুবিধা দেবে। এটি করতে জিমেইলে ঢুকে (লগ-ইন) করে ওপরের ডানে Settings-এ যান। এবার এর Labs ট্যাবে ক্লিক করলে গুগলের অনেক উপকারী এবং মজার সুবিধা দেখা যাবে। এখান থেকে Undo Send ল্যাবটি খুঁজে নিয়ে সেটির Enable রেডিও বোতাম নির্বাচন করে পাতার একদম নিচে এসে Save Changes বোতাম চেপে সেটি সংরক্ষণ করুন। এটি সক্রিয় করলে আপনার মেইল ঠিকানা সেটির তালিকাভুক্ত হয়ে যাবে। তাই যেকোনো মেইল পাঠানোর কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত সেটি প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে।
এবার Settings-এর General ট্যাবে ক্লিক করুন। এখানে Undo Send-এর Send cancellation period: থেকে কত সেকেন্ড পর বাতিল করবেন, তা নির্ধারণ করে দিন। সুবিধামতো সময় বেছে নিয়ে এই পাতার নিচে এসে Save Changes বোতাম চেপে সেটি সংরক্ষণ করে দিন। এখন থেকে যখনই কাউকে বার্তা পাঠানো হবে, জিমেইলের ওপরে পপ-আপে Your message has been sent লেখার সঙ্গে Undo দেখাবে। Undo চাপলে তৎক্ষণাৎ সেটি বাতিল হবে এবং সংশোধনীর জন্য কম্পোজ খুলে যাবে। এবার প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে Send বোতাম চাপলেই সেটি প্রেরকের কাছে পুনরায় চলে যাবে। —মো. রাকিবুল হাসান

ফেসবুক: সাবধান কিন্তু!

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক নারী কর্মকর্তা বহুদিন পর্যন্ত জানতেই পারেননি, তাঁর ছবি আর নাম ব্যবহার করে আপত্তিকর নানা কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরই এক পুরুষ সহকর্মী। সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে ওই নারীর মতো প্রতিদিনই কেউ না কেউ অপরিচিত বা পরিচিতজনদের মাধ্যমে প্রতারিত হচ্ছেন।
ফেসবুকের যে আইডিগুলোতে ব্যবহারকারী তার নাম, পরিচয়, লিঙ্গ, ছবি, ব্যক্তিগত তথ্য, কর্মক্ষেত্র, পড়াশোনার স্থানসহ কোনো কোনো ব্যক্তিগত বিষয়ে ভুয়া বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকে, সেগুলোকে ফেক আইডি বলা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ খাতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) বলছে, বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৬ লাখ। এর মধ্যে ১১ লাখই ভুয়া।
ভুয়া আইডি দিয়ে প্রতারণার বিষয়টি এখন এমন এক স্তরে পৌঁছেছে যে ভুক্তভোগীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) দ্বারস্থ হচ্ছেন।
এ প্রসঙ্গে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দীন আহমেদ মুঠোফোনে প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আজকাল অনেকেই ভুয়া আইডির বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। তাঁরা অভিযোগও করছেন। অভিযোগগুলো আমরা তদন্ত করে দেখি এবং ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাই।’ একই মন্তব্য করেছেন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাবের কর্মকর্তারা।
ফেসবুকে ভুয়া আইডির ব্যবহার ঠিক কতজন করছে, তার আসল সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে দেখা গেছে, ঢাকা শহরের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী লেখাপড়া করছেন ‘ঢাকা কলেজে’।
ফেসবুকে ভুয়া তথ্য দিয়ে অনেকে মজা পেলেও প্রতারণার শিকার কেউ কেউ মানসিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মনোরোগ চিকিত্সক মুনতাসির মারুফ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতারিত হলে প্রথমেই প্রতারণার শিকার ব্যক্তিটি বিষণ্নতায় ভুগতে শুরু করেন। কারও কারও ক্ষেত্রে এর ব্যাপকতা এতটাই হয় যে তাঁদের মধ্যে সামাজিক ভীতি দেখা দিতে পারে। তাঁরা হয়তো আর কখনোই কারও সঙ্গে সহজে মিশতে পারেন না।
প্রতারণার ধরন: রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এক নারী। হঠাত্ই একদিন তিনি ফেসবুকে নিজের ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করা একটি ভুয়া আইডি খুঁজে পেলেন। ওই ভুয়া আইডি থেকে নিয়মিত অশ্লীল স্ট্যাটাস আপলোড করা হতো। প্রতারণার শিকার ওই নারী এ ঘটনায় ভীষণ বিব্রত বোধ করছিলেন। অশ্লীলতার মাত্রা এতটাই ছিল যে তিনি শেষ পর্যন্ত পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তদন্তে বের হয় ভুয়া ফেসবুক আইডিটি তাঁর একজন পুরুষ সহকর্মীর।
ভুয়া ফেসবুক আইডি নিয়ে প্রায়ই বিড়ম্বনার শিকার হন বিভিন্ন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও অভিনয়শিল্পীরা। একজন অভিনেত্রী নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আমার নামে অন্তত ২০-২৫টি ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে। থানায় জিডি করেছি। র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করে ৮-১০টি আইডি বন্ধ করাতে পেরেছি। এর মধ্যে দুটো আইডিতে আমার ফোন নম্বর ব্যবহারসহ অশ্লীল কথাবার্তাও পোস্ট করা হয়। আমি ও আমার পরিবার ভীষণ সমস্যায় পড়ে এতে।’
প্রতারণার শিকার এক পুরুষ জানান, তিনি ফেসবুকে নিয়মিত একটি মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন। একপর্যায়ে কথা বলাটা নেশার মতো হয়ে দাঁড়ায়। তাঁকে ভালোবাসতে শুরু করেন। কিন্তু হঠাত্ মেয়েটি উধাও হয়ে যায় ফেসবুক থেকে। এ নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেছেন। এভাবে কেউ প্রতারণা করতে পারে, এটা ছিল তাঁর ধারণার বাইরে।
প্রতারকেরা কী বলে: ফেসবুকে বেশ কয়েকটি আইডি খুলেছেন এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, সুন্দরী এক নারীর ছবি দিয়ে তিনি সমাজের কিছু মুখোশ পরা ভালো মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। বাজিয়ে দেখেন তাঁরা আদতেই ভালো কি না। এ ছাড়া তাঁর মনে হয়েছে মেয়ে হলে ফেসবুকে অন্যরা যতটা আগ্রহ নিয়ে কথা বলেন, ছেলে হলে বলেন না। সে কারণেই তিনি এই বুদ্ধি এঁটেছেন।
ধরা পড়লে নিস্তার নেই: সংশোধিত তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ (১) ধারা লঙ্ঘন করলে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান আছে। এক কোটি টাকা জরিমানাও হতে পারে। কেউ ভুয়া আইডির কারণে প্রতারণার শিকার হলে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে যেতে পারেন।
নারী সহকর্মীর ছবি ও নাম দিয়ে আইডি খুলে প্রতারণার অভিযোগে সম্প্রতি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ আটক করেন এক ব্যক্তিকে। র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এ টি এম হাবিবুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, র‌্যাবের কাছে অভিযোগ নিয়ে আসেন অনেকেই। র‌্যাব প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের সহযোগিতা করে থাকে; অনেক সময় থানায় পাঠায়।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুকে ভুয়া আইডি খোলা ও অন্যকে প্রতারণা করাটা ব্যবহারকারীর খারাপ দিক; এটি ফেসবুকের খারাপ দিক নয়। ভুয়া আইডির বিড়ম্বনা থেকে স্বস্তি পেতে বন্ধুত্বের অনুরোধগুলো ভালো করে যাচাই-বাছাই করে দেখা উচিত। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম পারস্পরিক সম্পর্কগুলো নড়বড়ে করে দিচ্ছে। ২৪ হাজার দম্পতির ওপর করা এক জরিপ থেকে তারা এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

‘সারফেস’ স্মার্টফোন তৈরি করেছিল মাইক্রোসফট!

নকিয়া কেনার ঘোষণা দেওয়ার আগে ‘সারফেস’ ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা করেছিল মাইক্রোসফট। ‘সারফেস’ ব্র্যান্ডের ট্যাবলেট বাজারে আশানুরূপ সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হলেও স্মার্টফোন নিয়ে উত্সাহী ছিল প্রতিষ্ঠানটি। ২০১২ সালের অক্টোবরে উইন্ডোজনির্ভর সারফেস ট্যাব বাজারে এনেছিল মাইক্রোসফট।
মাইক্রোসফটের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ জানিয়েছে, উইন্ডোজনির্ভর সারফেস ব্র্যান্ডের বেশ কয়েকটি স্মার্টফোন প্রটোটাইপ তৈরি করেছিল মাইক্রোসফট। স্মার্টফোন তৈরির পরিকল্পনার কথা প্রকাশ হওয়ার আগে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’-এর বিটস ব্লগে অ্যান্ড্রয়েডচালিত লুমিয়া স্মার্টফোনের তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল। ওই ব্লগে দাবি করা হয়েছিল, লুমিয়া সিরিজে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর স্মার্টফোন আনার পরিকল্পনা ছিল নকিয়ার, এ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করেছিল ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৪ সালে নকিয়া অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা করেছিল। মাইক্রোসফটের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব না হলে নকিয়া আগামী বছর অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বাজারে আনার সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছিল।
এদিকে, নকিয়ার সঙ্গে চুক্তি সম্ভব না হলে মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ সারফেস ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন নিয়েই বাজারে চলে আসতো বলেই মনে করছেন প্রযুক্তি গবেষকেরা।
‘নিউইয়র্ক টাইমস’ জানিয়েছে, নকিয়ার অ্যান্ড্রয়েড পরিকল্পনায় মরিয়া হয়ে মাইক্রোসফটকে দ্রুত নকিয়া কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

আইফোন ৫এসের জবাবে গ্যালাক্সি এস৫!

স্মার্টফোনের বাজারে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের লড়াই এখন তুঙ্গে। ১০ সেপ্টেম্বর আইফোন ৫এস ও ৫সি নামে দুটি মডেলের আইফোন বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। অ্যাপলের নতুন স্মার্টফোনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান স্যামসাং ‘গ্যালাক্সি এস৫’ নামে একটি স্মার্টফোন বাজারে আনতে পারে।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসনাগাদ ধাতব কাঠামোর গ্যালাক্সি এস৫ বাজারে আনতে পারে স্যামসাং। এ স্মার্টফোনটির অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট বা টাইজেন ব্যবহার করার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ১৬ মেগাপিক্সেলের একটি ক্যামেরা যুক্ত করার সম্ভাবনাও দেখছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টি৩-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যামসাং সম্প্রতি ভিয়েতনামের প্রকৌশলীদের নিয়ে ধাতব অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম কাঠামোর স্মার্টফোন তৈরির বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখছে।
১০ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের নতুন ৬৪ বিট চিপের আইফোন ৫এস বাজারে ছাড়ার ঘোষণার পরপরই এবার ৬৪ বিট চিপের স্মার্টফোন বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। অ্যাপলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৫ হতে পারে সেই স্মার্টফোন।
স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের উপপ্রধান নির্বাহী শিন জং কিউন বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে আমরা আমাদের স্মার্টফোনে নতুন এই চিপ সংযুক্ত করব, যা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের নতুন এক অভিজ্ঞতা দেবে।’

থ্রিজি এখন !!!

য়ে গেল তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি থ্রিজির নিলাম। এর ফলে টেলিটকের পর বেসরকারি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেল গ্রাহকদের থ্রিজি সেবা দেওয়ার অনুমতি পেল। এর আগে গত বছরের ১৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রযুক্তিটি উন্মুক্ত করা হয়। এরপর পরীক্ষামূলকভাবে থ্রিজি সেবা চালু করে টেলিটক।

থ্রিজির নিলাম৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে থ্রিজি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) আয়োজিত এই নিলামে গ্রামীণফোন ১০ মেগাহার্টজ এবং রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেল ৫ মেগাহার্টজ করে স্পেকট্রাম পায়। নিলামে অবশ্য তোলা হয়েছিল ৪০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম।
লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে থ্রিজি নেটওয়ার্ক চালানোর জন্য দরকারি যন্ত্রপাতি আমদানি করতে বিটিআরসি সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে জানা গেছে। বিটিআরসি ইতিমধ্যে সব অপারেটরকে থ্রিজি সেবা ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণ করতে বলেছে।

থ্রিজি প্রযুক্তি
এককথায় থ্রিজি প্রযুক্তি হচ্ছে উচ্চগতির মোবাইল ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার একটি প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে মোবাইল ভিডিও কল থেকে শুরু করে মোবাইলে টিভি দেখাসহ নানা সুবিধা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি ভিডিও সম্মেলন, টেলিমেডিসিনের কাজ ঠিকঠাক করা যায় এ প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে। এর আকর্ষণীয় সুবিধা হলো, থ্রিজি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলার পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা ভৌগোলিকভাবে যে অবস্থানেই থাকবেন, সেখানেই উচ্চগতির ইন্টারনেট পাবেন। ব্যবহার করা যাবে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস), যার মাধ্যমে নিখুঁত পথনির্দেশনা পাওয়া যাবে। এ মোবাইল নেটওয়ার্কটি তৃতীয় প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক। বাংলাদেশে এর আগে ব্যবহূত নেটওয়ার্ক ছিল ২.৫জি বা ২.৭৫জি। নেটওয়ার্ক উন্নীত করার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়। এ সুবিধার মাধ্যমে বর্তমান মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সংযোগ ব্যবহারকারীদের নিজেদের এবং অন্যের নেটওয়ার্কে কম মূল্যে ভিডিও কলসহ অন্য সুবিধাগুলো দিতে পারবে। এ ছাড়া এক সিমে ও স্থানে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড সংযোগও দিতে পারবে।
 লাইসেন্স পাওয়ার পর
নিলামের মাধ্যমে থ্রিজি সেবা দেওয়ার লাইসেন্স পাওয়া চার মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে গ্রাহকদের সেবা প্রদান বিষয়ে নিজেদের পরিকল্পনা জানিয়েছে।
 গ্রামীণফোন
আগামী মাসে ঢাকা শহরের বড় অংশ ছাড়াও চট্টগ্রামে থ্রিজি সেবা চালু করবে গ্রামীণফোন লিমিটেড। নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে এ সেবা চালু হবে নভেম্বরের মধ্যে এবং ডিসেম্বরের মধ্যেই সাতটি বিভাগীয় শহরে এ সেবা চালু করা হবে। গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিবেক সুদ বলেন, “থ্রিজি-গ্রামীণফোন” বাংলাদেশের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। সবার কাছে দ্রুততম সময়ে ইন্টারনেট পৌঁছে দিয়ে দেশকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করাই আমাদের লক্ষ্য।’ গ্রামীণফোনের গ্রাহকদের থ্রিজি সেবা পেতে নতুন সিমকার্ড কেনার প্রয়োজন নেই। বর্তমান সিমেই পাওয়া যাবে থ্রিজি সেবা—জানালেন গ্রামীণফোনের প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ তাহমিদ আজিজুর রহমান।
 রবি
অক্টোবরের মধ্যে ৩.৫জির মাধ্যমে থ্রিজি সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে রবি আজিয়াটা লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাইকেল ক্যুনার জানান, অক্টোবরে রবি স্বল্প পরিসরে থ্রিজি সেবা চালু করবে। এ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৪০ শতাংশ গ্রাহকদের থ্রিজি সেবা প্রদান করা হবে। এ বছর ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও সিলেটে এ সেবা চালু হওয়ার পাশাপাশি ২০১৪ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ থ্রিজি সুবিধার আওতায় আসবে বলেও জানান তিনি। থ্রিজির জন্য রবি গ্রাহকদের সিম বদলাতে হবে না এবং মাইগ্রেশন করার জন্য কোনো বাড়তি ফিও দিতে হবে না।
 বাংলালিংক
বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেড খুব শিগগিরই গ্রাহকদের থ্রিজি সেবা চালু করবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা বলেন, ‘সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশ নতুন এক অধ্যায়ে যুক্ত হলো থ্রিজি প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে। থ্রিজি লাইসেন্স পাওয়ায় আমরা এখন সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব, যাতে আমাদের সম্মানিত গ্রাহকেরা তৃতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তিনির্ভর সেবা পেতে পারে।’
 এয়ারটেল
থ্রিজির উন্নত সেবা দিতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে থ্রিজি সেবা দেওয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড। আর এ সেবাকে দ্রুততর করতে ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্ক সহযোগী হিসেবে কাজ করতে হুয়াওয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস টবিট বলেন, বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়ন এবং বাকি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত টেলিযোগাযোগ বাজারের সমপর্যায়ে প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে থ্রিজি সেবা এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এ ছাড়া দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে থ্রিজি সেবা গুণক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে এবং দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করবে।
থ্রিজি প্রযুক্তির বেশি গতি এবং ব্যবহারযোগ্যতার কারণে উন্নতমানের সেবাগুলো মোবাইল ইন্টারনেটভিত্তিক হবে, যা গ্রাহকদের ব্যবহার অভিজ্ঞতা উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদী প্রতিষ্ঠানটি। খুব শিগগিরই গ্রাহকদের জন্য থ্রিজি চালুর পাশাপাশি এয়ারটেল ইন্টারনেটভিত্তিক বিনোদনের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সেবাও চালু করবে।
 টেলিটকের সেবা
দেশে প্রথম থ্রিজি সুবিধা চালু করে মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। বর্তমানে টেলিটক ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটে পূর্ণাঙ্গভাবে থ্রিজি সেবা প্রদান করবে। চলতি মাসেই কক্সবাজারে এ সেবা চালু হবে বলে জানালেন রাষ্ট্রায়ত্ত এ টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মুজিবুর রহমান। তিনি জানান, ‘আমাদের খরচ কিন্তু খুবই কম। প্রাথমিকভাবে শুধু কথা বলার জন্য যে খরচ, তা দিয়েই থ্রিজিতে কথা বলা যাবে। থ্রিজির সব সেবাতেই থাকছে ১০ সেকেন্ড পালস সুবিধা। এ ছাড়া বর্তমানে দেশের মাছরাঙা, দেশ টিভি, ইনডিপেনডেন্ট, আরটিভি ও এটিএন বাংলা দেখা যাবে। খুব শিগগিরই টেলিটক সারা দেশের সব জেলা ও বিভাগীয় শহরে থ্রিজি-সুবিধা চালু করবে।